Breaking News
Home / শিক্ষা / সংঘর্ষের পর কুমিল্লা মেডিকেল বন্ধ ঘোষণা

সংঘর্ষের পর কুমিল্লা মেডিকেল বন্ধ ঘোষণা


কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ ছাত্র আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় কলেজের সম্মেলনকক্ষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শুক্রবার ভোর থেকে শিক্ষার্থীরা হল ত্যাগ করেছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কলেজ হোস্টেলে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের আবদুল হান্নান ও হাবিবুর রহমান পলাশ গ্রুপের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র অবস্থায় আবাসিক হোস্টেলে সংঘর্ষে জড়ান এসময় দফায় দফায় চলা ওই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন ছাত্র আহত হন। এদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় তৌফিক ও ইফরান নামের দুই ছাত্রকে ঢামেকে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতদের কুমেক ও নগরীর বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

সংঘর্ষে আহত ছাত্ররা ছাত্রলীগ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শাখার সাবেক দুই সভাপতি আবদুল হান্নান ও হাবিবুর রহমানের সমর্থক। গুরুতর আহত দুজন ছাত্র হলেন, আবদুল হান্নানের সমর্থক তৌফিক আহমেদ ও হাবিবুর রহমানের সমর্থক ইরফানুল হক। তারা মেডিকেল কলেজের ২৩তম ব্যাচের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী। তারা দুইজন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।

কলেজের উপাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, হলের ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে সংঘর্ষের পুরো ঘটনাই পাওয়া গেছে। ঘটনা কারা ঘটিয়েছে, তা ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আবু সালাম মিয়া বলেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুমেক ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি।

About জানাও.কম

মন্তব্য করুন