Breaking News
Home / অন্যান্য / চরাঞ্চলে ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩টি ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও কাজে আসছে না চরবাসীর

চরাঞ্চলে ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩টি ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও কাজে আসছে না চরবাসীর


হামিদা আক্তার, ডিমলা প্রতিনিধি, নীলফামারী : তিসত্মার দূর্গম চরে ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও তা এখন আর কাজে আসছে না চরবাসীর। নীলফামারীর ডিমলায় টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পূর্বখড়িবাড়ী গ্রামে চরাঞ্চলে অগ্রাধিকার ভিক্তিতে ব্রিজ/কালভার্ট এবং এপ্রোচ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে আর,সি,সি লাই ব্রিজ ঠাংঝাড়া বিওপি হতে চরখড়িবাড়ী ৬৪ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজের ২০১১-১২ অর্থ বছরে নিমার্ণ ব্যয় সংশোধিত মূল্য ধরা হয় ২০ লাখ ৭৫ হাজার ৪’শ ৯৩ টাকা। নীলফামারীর এলজিইডি’র বাসত্মবায়নে ব্রিজটি নির্মাণ করা হলেও স্থানীয়রা দীর্ঘ ৪/৫ বছর ধরে সংযোগ রাসত্মার অভাবে যাতায়াত করতে পারছে না ২০টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। স্থানীয় এলাকাবাসী আফছার আলী মুন্সির পুত্র মজিবর রহমান বলেন, বর্তমানে এই ব্রিজের সাথে রাসত্মার কোন সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, দেখেন রাসত্মা কোথায় আর ব্রিজ কোথায় ? ধারনা করে বলেন, সে সময়ে ইঞ্জিনিয়ার ব্রিজটির নকশায় ভুলের কারনেই এটা হতে পারে। সামান্য বর্ষা হলেই ব্রিজের দুই পার্শ্বেই রাসত্মা ভেঙ্গে যায়। ফলে ব্রিজ দিয়ে চলাচল করতে পারে এ অঞ্চলের মানুষ।

পূর্বখড়িবাড়ীর চরাঞ্চলের ঐ রাসত্মায় মাত্র ২ কিলোমিটার দুরত্বে ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে নির্মিত হয় প্রায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে আরো একটি ব্রিজ। ব্রিজের পার্শ্বে দাড়িয়ে উক্ত গ্রামের শুকুর আলীর পুত্র ইয়ামিন হোসেন বাবু জানায় , রাসত্মার সাথে ব্রিজের কোন সম্পর্ক নেই। বিগত বন্যায় এ ব্রিজের দুই মাথায় রাসত্মা ভেঙ্গে যাওয়ায় এলাকাবাসীর এ দূভোর্গ সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিজটি নির্মাণের পরেই উদ্বোধনের আগেই রাসত্মার এ বেহাল দশা সৃষ্টি হয়। ফলে কোন কাজেই আসেনি ব্রিজটি। বর্তমানেও মেরামতের অভাবে ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছে না স্থানীয় এলাকাবাসী।

একই রাসত্মায় মাত্র ১ কিলোমিটার দুরত্বে পূর্বখড়িবাড়ী মেহেরপাড়া ওমর আলী বাড়ীর কাছে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৩১ লাখ ১৭ হাজার ৪’শ ৮২ টা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় একটি কালভার্ট। সেটিও উদ্বোধনের পর থেকেই রাসত্মা ভেঙ্গে যাওয়ায় কাজে আসছে না এলাকাবাসীর। এ প্রসঙ্গে কেরামত আলীর পুত্র হাফিজুর রহমান বলেন,এত টাকা ব্যয়ে কালভার্টটি নির্মাণ করা হলেও যাতায়াতে সুবিধা নেই এলাকাবাসীর তিনি বলেন, আগামী বর্ষায় পূবেই যদি এই ব্রিজগুলির সংযোগ রাসত্মাটি মেরামত করা না হয় তাহলে চরম ভোগানিত্মতে পড়তে হবে এলাকাবাসীকে। উক্ত গ্রামের আহম্মেদ হোসেনের পুত্র ময়নুল হক জানান,আামদের নীলফামারী-১ ডোমার ডিমলার মাননীয় এমপি মহোদয় একটি কাবিটা প্রকল্প দিয়েছিলো বিজ্রগুলির উভয় পাশ্বে রাসত্মা মেরামতের জন। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় মেরামত করা সম্ভব হয়নি। সংশিস্নষ্ট কর্তৃপড়্গের কাছে চলাচলে অনুপযোগী ব্রিজ/কালভার্টগুলির উভয় পার্শ্বে দ্রম্নত রাসত্মা মেরামতের দাবী জানিয়েছেন চরম দূর্ভোগে থাকা চরাঞ্চলে বসবাসকারী স্থানীয় বাসিন্দারা।

About জানাও.কম

মন্তব্য করুন