Breaking News
Home / বিনোদন / পরি ফ্লপ, মীম লোভী, মাহী বেয়াদব, ববি- ফারিয়া পরকিয়ায় আক্রান্ত

পরি ফ্লপ, মীম লোভী, মাহী বেয়াদব, ববি- ফারিয়া পরকিয়ায় আক্রান্ত


কিছুদিন আগে ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জেমী লিখেছেন ‘ভুক্তভোগীরা বলেন, মাহি একটা বেয়াদব, পরী ফ্লপ, মীম লোভী। ববি, ফারিয়া পরকীয়ায় আক্রান্ত। বাকিরা গণনায় পড়ে না! তাহলে নেব কাকে?’ এমন একটি গরম স্ট্যাটাস দেওয়ার পর মোহাম্মদ হোসেন জেমীকে তার কথার পক্ষে যুক্তি দাঁড় করাতে বললে তিনি বলেন ‘এটা আমার বক্তব্য নয়। আমি লেখার শুরুতেই বলেছি, ‘ভুক্তভোগীরা বলেন’। অবশ্য ভুক্তভোগীদের এই উপলব্ধিকে আমি সমর্থন করেছি বলেই নিজের ফেসবুকে দিয়েছি। আমাদের সিনেমার জায়গাটা খুবই ছোট। এই ছোট পরিবারে কস্মিনকালে কারও সঙ্গে দেখা না হলেও তার খবরাখবর পাওয়া যায় ক্ষণে ক্ষণে। যে ক’জন নায়িকার কথা বলা হয়েছে তাদের সঙ্গে যারা কাজ করেছেন তাদের ভুক্তভোগী চেহারা আর মন্তব্য জানার পর অন্যরা হয়ত চুপ থেকেছে বা ঠোঁট টিপে হেসেছেন, কিন্তু আমি বলে ফেলেছি। ব্যস! একটু হিসাবে করে দেখুন, গত পাঁচ বছরে মাহির আচার আচরণে একটা ভাবসাব চলে এসেছিল। ডজন ছবি মুক্তির পরও পরীমণির সাফল্যের সিঁকে ছিঁড়েনি, মীমের চাহিদা যে আকাশচুম্বী তা বোধহয় নায়িকাও অস্বীকার করবেন না। আর ববি, ফারিয়ার বিষয়টি গসিফ গুঞ্জনেই বাতাস ভারী। এমন আরেকটি স্ট্যাটাস যদি শাকিব খান আর বাপ্পিকে নিয়ে আপনি দিতেন, তাহলে কী লিখতেন? জেমীর চটজলদি মন্তব্য শাকিব খানের পেছনে হালে বিনিয়োগ মানেই অর্থ ধ্বংস করা। আর বাপ্পিকে একক নায়ক বানানোর অবস্থানে তিনি এখনও যেতে পারেননি। মন্তব্য দুটি নিয়ে একটু ঝেড়ে কাশতে বললে জেমী বলেন, আমার জানা মতে গত বছর নবাব বাদে শাকিব খানের আর কোনো ছবিই পুঁজি ফেরৎ পায়নি। খান সাহেবের পারিশ্রমিক এখন নাকি ৩০ লাখ, নখরায় যায় আরও ৫ লাখ। চল্লিশ লাখ টাকা তো এখন সিনেমা হলের টিকেট বিক্রি করে আসে না। কোন ‘ছাগল’ নাকি শাকিবকে ৫০ লাখ টাকা দিয়েছে। মাথায় খেলে না। আর বাপ্পি চৌধুরী দেখতে দেখতে প্রায় পাঁচ বছর পার করে দিল সিনেমাঙ্গনে। এখন আর তাকে নবিস বলা যাবে না, কিন্তু সফলতা কই? সে এখনও নিজেকে প্রমাণ করতে পারেনি পুঁজি ফেরতের গ্যারান্টার হিসেবে। যে কারণে একক নায়ক হিসেবে নয়, সহ-নায়ক হিসেবে কোনোভাবে মানিয়ে নেওয়া যেতে পারে। সূত্র- বলা না বলা।

About জানাও.কম

মন্তব্য করুন