Breaking News
Home / বাংলাদেশ / জিয়া-খালেদা ‘পাকিস্তান প্রেমী’: প্রধানমন্ত্রী

জিয়া-খালেদা ‘পাকিস্তান প্রেমী’: প্রধানমন্ত্রী


প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং তাঁর স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া উভয়ই ’পাকিস্তান প্রেমী’ বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘পাকি প্রেমে যারা হাবুডুবু খেয়েছে, তাদেরকেও উপযুক্ত জবাব বাংলার মানুষকে দিতে হবে। তাদেরকেও শাস্তি দিতে হবে। তাদের পাকি প্রেম ভুলিয়ে দিতে হবে। বাঙালি যদি এটা না পারে, তাহলে নিজেদের অস্তিত্ব থাকবে না।’

রবিবার (২৫ মার্চ) জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘৭৫’র পর পুরো ইতিহাসই বদলে গিয়েছিল। এমনকি, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী; এটাও বলা যাবে না। পাকিস্তান যে হানাদার ছিল; সেটাও ভুলিয়ে দেয়ার জন্য শুধু হানাদার বাহিনী বলা হতো, পাকি প্রেম এমন পর্যায়ে ছিল।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর যারাই ক্ষমতাসীন হয়েছিল, তারা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন চায়নি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

৭৫’র এর পরবর্তী সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা বাংলাদেশের কোনো অগ্রযাত্রা চায়নি মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সকলের একই এজেন্ডা ছিল। পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর এজেন্ডা অন্যভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছিল। এদেশ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হলে পাকিস্তান খুশি হবে। আর, পাকিস্তানকে খুশি করাই ছিল.. ।’

জাতিসংঘের গণহত্যা দিবস হিসাবে একটা দিন আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যে যে দিনে গণহত্যা শুরু হয়, সেই সেই দেশ সেই সেই দিনকে গণহত্যা দিবস হিসাবে পালন করে থাকে। একাত্তরের গণহত্যাকারী পাকিস্তানি সেনাসদস্যদের সঙ্গে তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস এবং তাদের যারা মদদ দিয়েছিল, তারা সবাই সমভাবে দোষী। তাদের বিচার যেন এই মাটিতে চলতেই থাকে, তাদের কোনো ক্ষমা নাই। আর মদদদানকারীরা ঘৃণার পাত্র। অল্প সময়ের মধ্যে এতো মানুষ হত্যা, এরকম গণহত্যা আর কোনো দেশে ঘটে নাই। যেটা এই দেশের মাটিতে ঘটেছিল।’

আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের নেতারা জার্মানির ‘বেরটেলসম্যান স্টিফটুং’ এর সমালোচনা করেন। যে সংস্থাটি দাবি করেছে, ‘বাংলাদেশে এখন স্বৈরতন্ত্র চলছে।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সাজ্জাদ জহির, ঢাকা মহানগর (উত্তর) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান এবং ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

About জানাও.কম

মন্তব্য করুন