Breaking News
Home / লাইফ স্টাইল / রমজানে সাহরি ও ইফতারে চাই স্বাস্থ্যকর খাবার

রমজানে সাহরি ও ইফতারে চাই স্বাস্থ্যকর খাবার


শুরু হলো মুসলমানদের সিয়াম-সাধনার মাস রমজান, রোজাদারদের পরিপূর্ণ সুস্থতার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ পুষ্টিবিদদের।
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি রমজান মাসে রোজা পালন করা। সিয়াম বা সংযম সাধনার মধ্য দিয়ে রমজানে মুসলমানদের জীবন ধারায় আসে পরিবর্তন।

রোজার মাসে শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে সেহরি ও ইফতারের খাদ্য বাছাই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গ্রীষ্মকালে দীর্ঘ সময়জুড়ে রোজা থাকার কারণে শরীরে পানিশূন্যতার ঝুঁকি থাকে। তাই ইফতারে ও এর পরে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। বেশি চিনিযুক্ত পানীয় এবং প্রক্রিয়াজাত ফলের রস না খেয়ে বরং এ সময় লেবুপানি, ডাবের পানি এবং বাড়িতে তৈরি ফলের রস পান করা ভালো। রসাল ফলমূল এবং শসা, টমেটো ইত্যাদি পানিযুক্ত সবজিও শরীরের পানিশূন্যতা পূরণ করবে।

ইফতারে প্রচলিত পেয়াঁজু, ছোলা, ঘুগনি, চপ, কাবাব, বেগুনি ইত্যাদি বেশির ভাগ খাবারই তেলে ভাজা এবং অতি ক্যালরিযুক্ত। দিনের পর দিন এসব খেলে শরীরের ওজন ও রক্তে চর্বির মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই খাবারে যত কম তেল ব্যবহার করা যায়, তত ভালো। তেল এড়ানোর জন্য ভাজা ছোলা-বুট না খেয়ে সেদ্ধ বা পানিতে ভেজানো কাঁচা ছোলা খেতে পারেন। ভাজা খাবারের বদলে মাঝে মাঝে চিড়া-দই, সেদ্ধ নুডলস বা পাস্তা, নরম খিচুড়ি, ওটমিল ইত্যাদি রাখা যায় পাতে। আর বেশি করে খান তাজা ফলমূল। উপোস ভেঙে ইফতারে হঠাৎ করে খুব বেশি খাবার গ্রহণ করা ঠিক নয়। কিছু খাবার খেয়ে বিরতি নিয়ে আবার খান। ইফতার সকালের নাশতার মতো হওয়া উচিত।

সাহরি না খেয়ে রোজা রাখার অভ্যাস মোটেও ভালো নয়। শেষ রাতে জটিল শর্করা বা ভাত-রুটির সঙ্গে আমিষ খাবেন। এ সময় পূর্ণ আহার করবেন। দুধও খেতে পারেন। এটা হবে আপনার দিনের প্রধান খাবার, অনেকটা মধ্যাহ্নভোজের মতো।

এ মাসের আত্মশুদ্ধির চর্চাকে সারাবছর শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করার পরামর্শ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমানের।

রমজানে ধর্মীয় বিধান মেনে চলার পাশাপাশি পরিশীলিত জীবন-যাপনই ব্যক্তিগত কল্যাণ নিয়ে আসতে পারে বলেও জানান তিনি।

ঈদুল ফিতর পালনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে রমজানের সংযম সাধনা।

About জানাও.কম

মন্তব্য করুন