বৃহস্পতিবার , জানুয়ারী 23 2020
Breaking News
Home / লাইফ স্টাইল / পোশাক-পরিচ্ছদ / শরীরের দুর্গন্ধ দুর করার আধুনিক পদ্ধতি

শরীরের দুর্গন্ধ দুর করার আধুনিক পদ্ধতি


মানুষের বগল থেকে বের হওয়া ঘামে আসলে তেমন কোন গন্ধ নেই। কিন্তু ত্বকের উপর বাস করা একটি বিশেষ ব্যাকটেরিয়াই হল যতসব গন্ধের উৎস। গন্ধহীন ঘামকে তারাই রূপান্তর করে ও মানুষের শরীরে গন্ধ ছড়ায়। ইউনিভার্সিটি অফ ইয়র্ক এবং অক্সফোর্ড-এর দুটো গবেষণা দল বলছে কিভাবে এই ব্যাকটেরিয়া কাজটি করে সেই রহস্যের প্রথম ধাপ তারা উন্মোচন করেছেন।
তারা বলছেন এর মাধ্যমে শরীরের দুর্গন্ধ দুর করার আরও অত্যাধুনিক পদ্ধতি খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে।

ঘাম কিভাবে হয়?
শরীরের ত্বকে দুই ধরনের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি থেকে ঘামের উৎপত্তি। শরীর চর্চা বা পরিশ্রমের ফলে যে ঘাম উৎপন্ন হয় তা তৈরি করে একরিন গ্রন্থি। এই ঘামে দুর্গন্ধ নেই এবং তা আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা করে। আরেকটি হল অ্যপোক্রিন গ্রন্থি। যার উপস্থিতি বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে। যেখানে রয়েছে অবাঞ্ছিত লোম। এখান থেকে যে ঘাম উৎপত্তি হয় তাতে রয়েছে এক বিশেষ ধরনের প্রোটিন। যা দুর্গন্ধহীন হলেও ব্যাকটেরিয়ার কারণে এটি দুর্গন্ধে রূপান্তরিত হয়। খুব সামান্য এই ব্যাকটেরিয়ার মারাত্মক ক্ষমতা। যারা তাদের কাজে ওই প্রোটিনটি ব্যবহার করে।

ডিওডোরেন্ট নাকি অ্যান্টি-পার্সপির্যাান্ট?
শরীরের দুর্গন্ধ দুর করতে সাধারণত জনপ্রিয় দুটি পণ্য হল ডিওডোরেন্ট ও অ্যান্টি-পার্সপির্যাযন্ট। ডিওডোরেন্ট সুগন্ধি ব্যবহার করে দুর্গন্ধকে ঢেকে দেয়। এতে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী কিছু উপাদানও রয়েছে।
অন্যদিকে অ্যান্টি-পার্সপির্যাদন্ট ঘামের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। বলা যেতে পারে লোমকূপে এক ধরনের ছিপি এটে দেয়। ইউনিভার্সিটি অফ ইয়র্ক-এর জীববিদ্যা বিভাগের ড. গ্যাভিন থমাস বলছেন, ‘আমাদের শরীরে যে ব্যাকটেরিয়া রয়েছে তার মধ্যে মাত্র কয়েকটি দুর্গন্ধের জন্য দায়ী।’

এই ব্যাকটেরিয়ার বৈজ্ঞানিক নাম স্টেফালোককাস হমিনিস।
ড. থমাস বলছেন এই ব্যাকটেরিয়া যে প্রোটিনটি ব্যবহার করে, নতুন প্রজন্মের স্প্রে, রোল-অন ডিওডোরেন্টে তা প্রতিরোধী উপাদানই হবে দুর্গন্ধের নতুন অস্ত্র। কিন্তু তা যতদিন না হচ্ছে ততদিন বাতাস পরিবহনযোগ্য পরিষ্কার পাতলা পোশাক পরুন। নিয়মিত স্নান করুন। দরকারে ডিওডোরেন্ট বা অ্যান্টি-পার্সপির্যাওন্ট ব্যবহার করুন।

About জানাও.কম

Check Also

জেনে নিন উপকার পেতে কোন সময় দুধ পান করবেন

এক কথায় পুষ্টির আধার বলা যায় যে খাবারকে সেটি হলো দুধ। অথচ শরীরের জন্য অতি …

মন্তব্য করুন