শুক্রবার , ডিসেম্বর 13 2019
Breaking News
Home / সম্পাদকীয় আর্কাইভ / নিরপেক্ষ নির্বাচন হলেই কী সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে?

নিরপেক্ষ নির্বাচন হলেই কী সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে?

নিরপেক্ষ নির্বাচন হলেই কী সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে?

<align=”left”>সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, সংবিধান অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে, “একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৮”। ঐক্যফ্রন্টসহ সবাই চাচ্ছে একটা অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক। (বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হবার পর বা সংসদ ভেঙে দেওয়া পর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজন করতে হয়। বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২৯ জানুয়ারি ২০১৪ সালে, তাই সংবিধানের ১২৩/৩(ক) ধারা অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ এর মধ্যে নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।)

সামনের নির্বাচন নিয়ে কয়েকটা প্রশ্ন মনে-
১। রাজনৈতিক দলগুলো প্রচারনা শুরু করবে কবে থেকে?
২। নির্বাচন কমিশন কি নিরপেক্ষতার পরিচয় দেবে?/সেনাবাহিনী কি নির্বাচনে থাকবে?
৩। রাজনৈতিক দলগুলো কী সুস্থ গণতন্ত্রের পরিচয় দেবে?
৪। ইভিএমের ব্যাপারে কী হবে?
৫। জামাত কি এবারের নির্বাচনেও অংশ নিবে?
(বর্তমানে জামাতের নিবন্ধন বাতিল, তবে নিষিদ্ধ করা হয় নি। যদিও সংবিধানের ১২(ক,খ) অনুচ্ছেদ বলে, ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ।)
৬। সবচেয়ে বড় কথা, নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে? (বর্তমান সংবিধান মতে, সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হবে।)

শিরোনাম প্রসঙ্গে বলি, সুষ্ঠ নির্বাচন হলেও ভবিষ্যতে আশার কিছু দেখি না। নির্বাচনে হয়তো লীগ/দল(জাতীয় ঐক্য) জিতবে। তারা গনতন্ত্রের নামে আগের ঘটনারই পূণরাবৃত্তি করবে। বিজয়ী দল বলবে, নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে। এরপর সংসদে গিয়ে মোসাহেবি শুরু করবে, গালির প্র্যাকটিস হবে, আগের দলের অপকর্মের রিসার্স শুরু হবে। আরো বিশাল বাজেট হবে, টাকাগুলো নয়-ছয় হবে/কিছু আঙুল কলাগাছে পরিণত হবে। মাথাপিচু আয় বাড়বে। গরীবরা আরো গরীব হবে, ধনীরা আরো ধনী।
এদিকে যারা পরাজিত হবে(বিরোধীরা) তারা নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করবে/নির্বাচন বর্জন করবে। সংসদে সুস্থ বিতর্ক না করে রাস্তায় গণতন্ত্র উদ্ধারের আন্দোলনে নামবে। হরতাল-অবরোধ, অগ্নিসংযোগ-ভাংচুর শুরু করবে। সরকার দলীয়রা কী বসে থাকবে? শুরু হবে গুম, খুন, হত্যা, মামলা …. দমন-পীড়ন।
আমরা আমপাবলিক প্রতিদিনের খবরে এসব পড়বো। কেউ অন্ধ-বধির হয়ে থাকবো, কেউ পক্ষে-বিপক্ষে কিবোর্ডের যুদ্ধে নেমে পড়বো। দিন শেষে লাউ-কদু আগের মতই থাকবে। দেশের রাজীনীতি এক চাকাতেই ঘুরবে। সুস্থ রাজনৈতিক ধারা ফিরে আসবে না। আর দেশ? সে তো আপনি চোখের সামনেই দেখছেন…

গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা সবাই বলি, সেটা বুঝি/মানি/বাস্তবায়ন করি ক’জন?

হা বঙ্গমাতা! তোমার ছেলেরা মানুষ হবে কবে?

About janaadmin517

Check Also

প্রাইম মিনিষ্টার সৌদী, মোদী, বৌদিদের বিনিয়োগ কেন চায়?

আজকের সম্পাদকীয়তে – চাদঁগাজী মনে হয়, এটা বিনিয়োগের ব্যাপার নয়, আসলে কৌশলে ভিক্ষা চাওয়া; সৌদীরা …

মন্তব্য করুন