সোমবার , সেপ্টেম্বর 16 2019
Breaking News
Home / শিল্প-সাহিত্য / কবিতা / দীর্ঘশ্বাসের দ্রাঘিমা —- – মনিরা সুলতানা

দীর্ঘশ্বাসের দ্রাঘিমা —- – মনিরা সুলতানা

গুনতি’তে বেশ হাত পাকিয়েছ আজকাল !
স্তব্ধ দুপুরের নিঃশ্বাস ছুঁয়ে বলে দিতে পারো, রাতের অভিসারের শিহরন।
হাতের রেখায়, চোখের কারুকার্যে যে হৃদয় পড়তে জানতে না ;
দীর্ঘশ্বাসের দ্রাঘিমা আঁক তার ঠিকঠাক।

খুব জানো, মরাল গ্রীবা বাঁকিয়ে যতই চলুক ডুবেছে সে হাঁটুজলে
আনত দৃষ্টি খুঁজে বেড়ায় পথে জমে থাকা শামুক।
দিনশেষে খুঁটে খুঁটে জমা করে ক্যাবোল তোমার ফেলে যাওয়া ধূলিকণা
শব্দ তৃষা বুকে নিয়ে পাড়ি সে দেয় কত আকাল।

জলবিম্ব দর্পনে সুখের ছবি’তে মুগ্ধতা তোমার কবি
সে দেখা’ ই আচঁলের বলে ভ্রম হয় ।
অযুত বিম্বতা’ ই মোবারক তোমাকে ;
– কাছে আসার
– নি:শ্বাসে দগ্ধ হবার
– পোড়া সুখ নাই বা নিলে ।
কোন এক অস্ফুট উচ্চারনের দিগন্তরেখা
ধ্রুবতারা করে রেখো হাতে; যতনে আদরে শিশিরে সোহাগে।
অসহ্য অশ্রাব্য সুখের ফিসফিসানী এ জন্মে নয়।

মধ্যরাতের গাঢ় নিদ্রার প্রগাঢ়তা করে যে রেখছিলো তোমায়।
সে ভুল ছিল !
যে প্রগাঢ়তা, নতদৃষ্টির আর্দ্রতায় সমস্ত টা জুড়ে তীক্ষ্ণ ঝিঁঝিঁ ‘র ঝুমঝুম !
সেই সুখে নেই আজ অধিকার।

জেনে রেখো কবি –

প্রেমিকা যখন পুঁই গোটা রঙ অধর সাঁজায়
নাকে এসে লাগে বহুদিনের ভাবা সমুদ্র নোনাজল গন্ধ ;
সে প্রহরে সে জলে জলে জমা রাখে শিশিরের স্নিগ্ধতা ।
অতটুকু আবদারের আর্দ্র মহুয়া , যে ওমে রাখে ; বড্ড ধীর বিলাসিতায়
তাকে ধরা পড়ে যাবার দোহাই দিতে নেই কভু।
জোড়া চোখের মায়া তাতে লেগে থাকে –
আসমুদ্র হিমাচল।

অতখানি অবহেলে অবগাহনের সুখ নিতে নেই ;
নিত্যকার চালডালে আটপৌড়ে করে-
অযাচিত ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে, অবহেলে ঐ চোখে চোখ রেখো না !
ফেরানো দৃষ্টির শূন্যতায় উন্মাদ হতে হবে !

About বার্তা সম্পাদক

Check Also

মায়াবী বধূ– হাবিবুর রহমান।

বধূ তুমি যেমন লাজুক মুখ মায়াবী তেমন, কাছে এলে তাইতো মনে থাকে সুখের লগন। বধূ …

মন্তব্য করুন