সোমবার , সেপ্টেম্বর 16 2019
Breaking News
Home / সম্পাদকীয় আর্কাইভ / বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ


ঢাবিয়ান : বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হোক এবং গণতান্ত্রিক সব দল তাতে অংশ নিক, এটাই ভারত দেখতে চায়। ভারত একেবারেই চায় না, আগেরবারের মতো এবারের নির্বাচন কোনোভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হোক।বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সম্প্রতি সে কথা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে ইউরোপিয় পার্লামেন্টে আলোচনা : ১৫ নভেম্বর ২০১৮ বৃহষ্পতিবার ইউরোপিয় পার্লামেন্টে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় অংশ নিয়ে অনেক মেম্বার অফ ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট (এমইপি)বলেন শুধুমাত্র স্বাধীন মত প্রকাশের কারণে ড. শহিদুল আলমকে কারারুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও এমইপিগণ বাংলাদেশে গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যা বন্ধ, বাক স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ, বিচার বিভাগ দলীয়করণ, শ্রমিক নির্যাতন এবং পুলিশি নির্যাতন নিপীড়ন এবং বিরোধী দলের উপর দমন নির্যাতন নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ করার আহবান জানান। প্রয়োজনে মিয়ানমারের মত বাংলাদেশের উপরও অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করা প্রয়োজন বলে তারা অভিমত প্রকাশ করেন.

গত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে বাংলাদেশের আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোনো পর্যবেক্ষক পাঠাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। কমিশনের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মঘেরিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে কোনো পাতানো নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়া তাদের কাজ নয়।

বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি থিংকট্যাংট টম ল্যান্টোস হিউম্যান রাইটস কমিশনে (টিএলএইচআরসি)। গত ১৫ই নভেম্বর বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির সমালোচনা করে এ কথা বলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পরিচালক জন সিফটন।তিনি বলেন যে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হবে এমন কিছু বিশ্বাস করার কোনোও কারণ নেই। নির্বাচনের আগে সরকার বিরোধী দলের কর্মীদের আটক করছে, মিডিয়া ও সুশীল সমাজের বাকরোধ করতে চাইছে।

তিনি বলেন স্বাধীন মত প্রকাশের পক্ষে যারা তাদেরকেও হুমকি দেয়া হচ্ছে। এতে নাগরিক সমাজকে দমিয়ে রাখা হচ্ছে। সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি এতই নাজুক যে, তা সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা কঠিন। ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে কথা বলায় সাংবাদিক শহিদুল আলমকে কারান্তরীণ করা হয়েছে।এছাড়া বাংলাদেশে অব্যাহত গুম ও খুনের ঘটনা অসহনীয় পর্যায়ে উপনীত হয়েছে বলে মনে করেন তারা।

এসময় তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন মানবাধিকার পরিস্থিতির উত্তরণে ইতোমধ্যেই বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসই পারে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে সরকারকে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বাধ্য করতে।

অনুষ্ঠানে দর্শক সারিতে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ও ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. জিয়া উদ্দিন।

(বিভিন্ন পত্রিকা থেকে বহির্বিশ্বের আমাদের নির্বাচন সম্পর্কে রাখা বক্তব্য থেকে গুরুত্বপুর্ন পয়েন্টগুলো নেওয়া হয়েছে)

About জানাও.কম

Check Also

প্রাইম মিনিষ্টার সৌদী, মোদী, বৌদিদের বিনিয়োগ কেন চায়?

আজকের সম্পাদকীয়তে – চাদঁগাজী মনে হয়, এটা বিনিয়োগের ব্যাপার নয়, আসলে কৌশলে ভিক্ষা চাওয়া; সৌদীরা …

মন্তব্য করুন