Breaking News
Home / শিল্প-সাহিত্য / মৃত্যু তাকে মুক্তি দিয়েছে….

মৃত্যু তাকে মুক্তি দিয়েছে….


“পরাজিত নই নারী,পরাজিত হয় না কবিরা;
দারুন আহত বটে আর্ত আজ শিরা-উপশিরা।”
-আল মাহমুদ

কিরমানী লিটনঃ সোনালী কাবিনের কবি আল মাহমুদ। স্রোতের বিপরীতে দাঁড় বাওয়া এক কবি। যার জ্বলজ্বলে লিখার এক একটি শিখা বাংলা ভাষা- সাহিত্যকে আলোয় সমৃদ্ধ করেছে। যার হাত ধরে এখনকার অনেক কবি সাহিত্যিক জন্ম নিয়েছে- ছড়ি ঘুরিয়েছে, এখনও ঘুরায় কবিতার পিঠে সওয়ার হয়ে। বড় বেশী অবহেলায় নিভৃত্যে ধুঁকছিলেন কবি। সোনালী কাবিনের দেন মোহর তাকে ছাড় দিলেও জীবনের দেন- মোহরের দায় তিনি খুব টের পেয়েছেন শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত। শুধু রাজনৈতিক ভিন্ন পথ- দৃষ্টিভঙ্গির অপরাধ, ভাগ্য- বিড়ম্বিত এ কবিকে সবকিছু থেকে বঞ্চিত করেছিল। ক্ষয়িত মূল্যবোধের কাছে নতজানু আত্নসমর্পন করেনি তার কলম। তাই এ রিক্ত প্রস্থান। অথচ আশ্চর্য, চারপাশের এতসব ক্ষুদ্রতা, এতসব বঞ্চনা, এতসব নীচুতা স্পর্শ করেনি তার কলম। জাগতিক মোহ যেমন দিকভ্রান্ত করতে পারেনি তার চলার পথ। তেমনি অযুত নিযুত অবহেলার পাহাড়ে পিষ্ট হয়েও তাকে আক্ষেপে পুড়তে দেখিনি- কোনদিন।

জ্বী, একজন কবি আল মাহমুদ। গতকাল রাত এগারোটা পাঁচ মিনিটে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের নিভৃত বিছানায় নির্জন বিদায় নিয়েছেন কবি( ইন্না নিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। দলান্ধ চেতনার মুখে একদলা থু মেখে আজ তিনি অসীমের যাত্রী।

ভালো থাকুন- কবি। আপনার সৃষ্টিই আপনাকে বাঁচিয়ে রাখবে- অনন্ত পেরিয়েও…..! আপনার বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি। অগাদ বিশ্বাসে যে ভালোবাসার ভীত রচনা করে গেছেন আপনি। কথা দিলাম, আমরা তা বাঁচিয়ে রাখবোই।

About

Check Also

উল্টাসনে ঋ দর্শনে – বিদ্রোহী ভৃগু

ছবি কৃতজ্ঞতা: গুগল পাশে সরিয়ে রেখে গুম খুনের আতংক এসো ভালোবাসি ভুলে যাই সব শঙ্কা …

মন্তব্য করুন