Breaking News
Home / অঞ্চলিক সংবাদ / আশুগঞ্জে সরকারী কম্বল চেয়ারম্যান কর্তৃক আত্মসাতের অভিযোগ বঞ্চিত শীতার্ত মানুষ

আশুগঞ্জে সরকারী কম্বল চেয়ারম্যান কর্তৃক আত্মসাতের অভিযোগ বঞ্চিত শীতার্ত মানুষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে হাসান জাবেদঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া ইউপি চেয়ারম্যনের বিরুদ্ধে সরকারী কম্বল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সরকারী ভাবে বরাদ্ধকৃত গরিব শীতার্তদের মধ্যে রবিবার সকালে কম্বল বিতরণের সময় -৪৬০টি কম্বল এর মধ্যে ১২৪টি কম্বল চেয়ারম্যান এর বাড়িতে নিয়ে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
সরেজমিন গিয়ে শীতার্তদের সাথে কথা বলে জানা যায় ইউপি চেয়ারম্যন ইদ্রিস হাসান উপজেলা থেকে ৪৬০টি কম্বল এনে মাত্র শতাধিক মানুষের মাঝে বিতরণ করে । বাকী কম্বল গুলো তিনি তার বাড়িতে নিয়ে যান। সরকারি কম্বল ইউনিয়ন পরিষদে না রেখে উনার বাড়িতে কেন নিয়ে যাবেন তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে তারুয়া ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট জানতে চাইলে জবাবে বলেন আমি ১২ জন মেম্বার প্রতিজনকে ২৮ টি করে কম্বল দিয়েছি। তিনি তার বাড়িতে ৫০টি কম্বল নিয়ে রাখেন সে গুলোও শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করে দেয়া হবে । প্রশ্ন উঠেছে মেম্বার প্রতি ১২ জনকে ২৮টি করে কম্বল দেয়া হলে মোট দাড়ায় ৩৩৬টি কম্বল। চেয়ারম্যানের বাড়িতে নিয়ে যান ৫০টি। সর্ব মোট ৩৮৬টি কম্বল তিনি গরীব অসহায়দের মাঝে বিতরন করেছেন বলে তার দাবী। তার দেয়া তথ্যমতে ৬৪টি কম্বলের কোন হিসাব পাওয়া যায়নি। তবে বার বার কম্বল বিতরণের তালিকা চাইলেও চেয়ারম্যান কোন তালিকা সাংবাদিকদের দিতে পারেননি।
এই বিষয়ে তারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের মো.সেলিম মেম্বারসহ আরও ২জন মেম্বারের সাথে কথা বলে জানা যায়,৪৬০টি কম্বল এর মধ্যে ৩৩৬টি কম্বল সবার মাঝে বিতরণ করা হয়। বাকি ১২৪টি কম্বল চেয়ারম্যানের বাড়ীতে নিয়ে যায় বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজিমুল
হায়র্দা এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সরকারী বিধি মোতাবেক কম্বল কারো বাড়ীতে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। বিতরণে কোন প্রকার অনিয়ম হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে ।

About বার্তা সম্পাদক

মন্তব্য করুন