Breaking News
Home / অঞ্চলিক সংবাদ / রেলযোগোযোগের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সকারের সর্ম্পক যেমন ঘনিষ্ঠ রয়েছে তেমনি দুই দেশের জনগণের সর্ম্পকও ঘনিষ্ঠ হবে -চিলাহাটিতে রেলপথ মন্ত্রী

রেলযোগোযোগের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সকারের সর্ম্পক যেমন ঘনিষ্ঠ রয়েছে তেমনি দুই দেশের জনগণের সর্ম্পকও ঘনিষ্ঠ হবে -চিলাহাটিতে রেলপথ মন্ত্রী

জানাও প্রতিনিধিঃ ভারত বাংলাদেশের সরকার টু সরকার যেমন ঘনিষ্ঠ হয়েছে ইতমধ্যে, আরো হচ্ছে এখন জনগন টু জনগন সর্ম্পক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন রেলপথ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন এমপি।
শুক্রবার দুপুরে ভারত-বাংলাদেশের ৭৮২ নং পিলারের কাছে অনুষ্ঠিত চিলাহাটি-হলদীবাড়ি রেলপথের নির্মান কাজে বিএসএফ ও বিজিবির সমন্বয় বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
২০২২ সালের মধ্যে মংলা বন্দর থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত রেল সংযোগ তৈরী হবে এবং চলতি বছরের জুন মাসে চিলাহাটী-হলদীবাড়ি রেল পথের নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা করেন। এই রেল পথটি নির্মিত হলে উভয় দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি ভারত কলকাতা থেকে বাংলাদেশের ভূমি ব্যাবহার করে এ অঞ্চলে রেলগাড়ী চালাতে চাইলে সময় বাঁচাতে পারবে বলে তিনি জানান।

এ ছাড়া এই রেলপথের সাথে ভারতের পাশাপাশি নেপাল,ভুটানও যুক্ত হওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বৈঠকে নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান, বিজিবি ৫৬ ব্যাটালিয়নের অধিনাক মামুনুল হক, বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চরের প্রধান প্রকৌশলী আল ফাত্তাহ্ মাসুদুর রহমান, প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম এবং ভারতীয় বিএসএফ ৬৫ ব্যাটালিয়েনের সেকেন্ড ইন কমাণ্ড জগদিশ দাওয়াই, উত্তরাঞ্চল রেলের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার দে, প্রকল্প প্রকৌশলী তপন দাস উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সুত্র মতে এই কাজের প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮০ কোটি ১৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। যা প্যাকেজ মূল্যে প্রকল্পটির কাজ চলছে ৬৮ কোটি ৮২ লাখ ৬০ হাজার টাকায়। চিলাহাটি থেকে হলদীবাড়ী সীমান্ত পর্যন্ত বাংলাদেশ অংশে ৬ দশমিক ৭২৪ কিলোমিটার এবং ২ দশমিক ৬৩৬ কিলোমিটার লুপ লাইনসহ মোট ৯ দশমিক ৩৬০ কিলোমিটার রেলপথ ও ৭টি ব্রিজ নির্মাণের কাজ ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই শেষ করা হবে। এরপর বসানো হবে ব্রডগেজ লাইন। ইতোমধ্যে লাইনগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করে চিলাহাটিতে নিয়ে আসা হয়েছে।

নির্মাণ কাজের প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ রোকনুজ্জামান শিহাব জানান, আমরা নির্ধারিত সময়ের আগেই এই কাজ সমাপ্ত করতে সক্ষম হবো।

প্রকাশ থাকে যে বাংলাদেশের পর্যটক বর্তমানে স্থলপথের বাংলাবান্ধা-হিলি কিংবা বুড়িমারী দিয়ে ভারত-নেপাল-ভুটানে যায়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থা (বিআরটিসি) ভারতের কলকাতা ও আগরতলা, বুড়িমারী ও বাংলাবান্ধা পর্যন্ত স্থলপথে বাস সংযোগ চালু করেছে। আকাশপথে ভারতের কলকাতা মুম্বাই-চেন্নাই-ব্যাঙ্গালুর ফ্লাইট চালু আছে। যাত্রীরা সাধারনত রেলভ্রমনে বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে। রেলপথে ঢাকা ও খুলনা থেকে কলকাতার সরাসরি সংযোগ আছে রেলের। চিলাহাটি-হলদীবাড়ি ইন্টারেচঞ্জ লিংক চালু হলে বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় উন্নয়নের দুয়ার খুলে যাবে। এতে লাভবান হবে উভয় দেশ। প্রজন্মের মধ্যে সম্প্রীতির মেলবন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।

About জানাও.কম

মন্তব্য করুন