Breaking News
Home / খেলাধুলা / ডাবল সেঞ্চুরিতে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি মুশফিকের, বাংলাদেশ ৫৬০

ডাবল সেঞ্চুরিতে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি মুশফিকের, বাংলাদেশ ৫৬০

জানাও ডেস্ক: জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে মুশফিকুর রহিম ডাবল সেঞ্চুরি করে নতুন আরেকটি মাইলফলক সৃষ্টি করেছেন। ক্যারিয়ারে এটি তৃতীয় দুইশ ছোঁয়া ইনিংস তার। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ রানের মালিক এখন মুশফিকুর রহিম। ৪৪১৩ রান নিয়ে সবার ওপরে উঠলেন নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান। তার চেয়ে ৮ রান কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। ৩৮৬২ রান নিয়ে তৃতীয় জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা সাকিব আল হাসান।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৫৫৮ রান। ইতিমধ্যে ২৯৩ রানের লিড নিয়েছেন টাইগাররা। স্বভাবতই বড় লিডের পথে স্বাগতিকরা। মুশফিক ২০৩ রান নিয়ে ক্রিজে রয়েছেন। তাকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে এসেছেন তাইজুল ইসলাম।তাদের ব্যাটে লিড বাড়িয়ে নিচ্ছেন স্বাগতিকরা।
এর আগে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৯ সেঞ্চুরির মালিক ছিলেন তামিম ইকবাল। এদিন দুর্দান্ত শতক দিয়ে সেই রেকর্ডে ভাগ বসান মমিনুল। এর সুবাদে ক্রিকেটের লংগার ভার্সনে পয়েট অব ডায়নামোর সেঞ্চুরি সংখ্যাও দাঁড়ায় ৯টি।

মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি, মুমিনুল হকের অনবদ্য সেঞ্চুরি এবং লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্তর ফিফটিতে রানের পাহাড় গড়েছে বাংলাদেশ। ৬ উইকেটে ৫৬০ রানে ইনিংস ডিক্লেয়ার করেছে তারা। স্বাভাবিকভাবেই রানের চাপে পিষ্ট সফরকারীরা।
আগের দিনের ৩ উইকেটে ২৪০ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ। সোমবার মুমিনুল হক ৭৯ এবং মুশফিক ৩২ রান নিয়ে খেলার গোড়াপত্তন করেন। নেমে স্বচ্ছন্দে খেলতে থাকেন তারা। শক্তভাবে ক্রিজে সেট হয়ে যান এ জুটি। স্বভাবতই ছন্দময় ব্যাটিং উপহার দেন মুমিনুল-মুশফিক।
জিম্বাবুয়ে বোলারদের রীতিমতো তোপ দাগান তারা। ব্যাটে স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছুটিয়ে পথিমধ্যে টেস্ট ক্যারিয়ারে নবম সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল। তবে অধিনায়ক হিসেবে এটি তার প্রথম তিন অংক ছোঁয়া ইনিংস। ডোনাল্ড তিরিপানোকে বাউন্ডারি মেরে এ শতক হাঁকান তিনি।
মুশফিকের ডাবল সেঞ্চুরি হওয়া মাত্রই ইনিংস ঘোষণা করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক। এতে ২৯৫ রানের লিড নেন টাইগাররা। মুশফিক ২০২ রানে অপরাজিত থাকেন। অপর প্রান্তে ১৩ রানে টিকে থাকেন তাইজুল ইসলাম। স্বাগতিকদের দলীয় এ সংগ্রহে তামিম ইকবালের অবদান ৪১ রান। আর ৭১ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

মুশফিকুর রহিমের ডাবল সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড়ে চাপা পড়ে জিম্বাবুয়ে। ইনিংস হার এড়াতে করতে হবে ২৯৬ রান, তৃতীয় দিন শেষ বিকেলে ৫ ওভার ব্যাট করে ৯ রান তুলতেই নাইম হাসানের স্পিন ঘূর্ণিতে হারায় ২ উইকেট।
চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনটাও নিজেদের দখলে নেয় টাইগার বোলাররা। দিনের পঞ্চম ওভারেই তাইজুলের শিকার হয়ে ফেরেন কেভিন কাসুজা। ১০ রানের বেশি করতে পারেননি জিম্বাবুইয়ান এই ব্যাটসম্যান।
অভিজ্ঞ ব্রেন্ডল টেইলর হতে পারতেন ক্রেইগ আরভিনদের ত্রানকর্তা। কিন্তু ১৭ রান করে নাইম হাসানের বলে অপ্রয়োজনীয় শট খেলে ক্যাচ দেন তাইজুল ইসলামকে। ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ের হাল ধরার চেষ্টা করেন অধিনায়ক আরভিন ও সিকান্দার রাজা।
দুজনে মিলে পঞ্চম উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৬০ রান। ৪৯ বলে ৬ চার ১ ছক্কায় ৪৩ রান করে আরভিন রান আউটে কাটা পড়লে ভাঙে জুটি। লাঞ্চের আগে বাকি সময় অবশ্য নিরাপদেই কাটান সিকান্দার রাজা ও টিমিসেন মারুমা।
৫৬ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ৩৩ রানে সিকান্দার রাজা ও ৩ রানে অপরাজিত আছেন মারুমা। লাঞ্চ বিরতির আগে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১১৪ রান। হাতে ৫ উইকেট নিয়ে সফরকারীরা পিছিয়ে আছে আরও ১৮১ রানে।

About জানাও.কম

মন্তব্য করুন