Breaking News
Home / অঞ্চলিক সংবাদ / আশুগঞ্জ যুবলীগ নেতা শাহীন বকসীর দাপটে কয়েকশ কৃষক জিম্মি

আশুগঞ্জ যুবলীগ নেতা শাহীন বকসীর দাপটে কয়েকশ কৃষক জিম্মি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আশিকুর রহমানি রনি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে যুবলীদের এককাংশের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন আলম বকসীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাতে আশুগঞ্জে কয়েকশ বিগা জমির কৃষকদের জিম্মি করে ফসলি জমির উপর দিয়ে ড্রেজারের পাইপ নেওয়ার কারণে চলতি ইরি বুরো মৌসুমে কৃষকদের সেচ ও জমি আবাদে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে তারা জানাই। ক্ষমতার দাপটে দলের নাম ভাঙ্গীয়ে করছেন এই সব অপকর্ম। যা সরজমিনে তদন্ত করতে গিয়ে জানা গেছে শরীফপুর ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে গিয়ে দেখা যায় পাগলা নদীর খাল থেকে ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলনের জন্য কয়েক কিলোমিটার পাইপ ফসলী জমির উপর দিয়ে জোড় পূর্বক নেওয়া হয়েছে। যাতে কৃষকদের জমিতে চাষ, সেচ, রুপনের বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। মাঝে মাঝে কিছু অংশে পাইপ ফেটে বালি জমিতে পড়ে যাওয়ার কারণে উক্ত জমিতে ফসল আবাদ নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষকদের সাথে আলাপ কালে জানান পাইপ জমির মাঝ খান দিয়ে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন ক্ষেত দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে গেছে। যাতে এক প্রান্তে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করা হলেও অন্য প্রান্ত নিজেরা কুপিয়ে চাষের আওতায় আনা হয় যাতে জমি চাষের খরচ অত্যাধিক বেড়ে গেছে। পাইপের দুই পাশে আগাছা জমে উক্ত জায়গায় চারা রূপন করা যায় না। তারা আরও বলেন আমরা বাধা দেওয়ার পর আমাদের কোন কথা না শুনে জমির উপর দিয়ে পাইপ বসিয়ে গত তিন বৎসর এই পাইপ দিয়ে বালুর ব্যবসা করছেন তিনি।

বাধা দিলে অনেক কৃষকে বেধর মারপিটও করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। দলের প্রভাবে প্রশাসনের ছত্রছায়য় এই অবৈধ বালুর ব্যবসা করছেন বলে তারা জানান। কৃষক কবির হোসেন, রতন, বর্গাচাষী মিন্টু মিয়া বলেন ক্ষেতের উপর দিয়ে পাইপ নিতে বাধা দেওয়ার কারণে আবু তাহের ও সাদেক মিয়া নামের দুই কৃষককে বেধর মারপিট করেছেন এই প্রভাবশালীর লোকজন।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ হায়াত উদ-দোল্লা খান সারের সাথে ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি এই মাত্র অবগত হলাম। এব্যাপারে যারা জড়িত আছেন তাদেরকে আইনের আওতায় এনে অবৈধ ড্রেজার ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

About জানাও.কম

মন্তব্য করুন